আল্লাহ এক। তিনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নাই। তিনিই খাওয়ান তিনিই পালেন। দুনিয়াতে তিনি আমাদের এবাদতের জন্য পাঠিয়েছেন। এই এবাদতকে জানার জন্য আমাদের এলেমের প্রয়োজন। এই এলেম শিক্ষা করার জন্য আমাদের আল্লাহ্‌র রাস্তায় বের হতে হবে। আমরা নিজে শিখব অন্যকে শিখাব এবং এই দ্বীনের দাওয়াত অন্যের নিকটে পৌঁছাব ইনশাআল্লাহ্‌।

নিশ্চিন্তায় সার্ভিস কিনুন আমাদের শপ থেকে 
  ওয়েপকা সাইট ওয়ার্ড প্রেস সাইট ব্লগার সাইট হোস্টিং ডোমেইন আরো

তালিম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। দাওয়াত ও তাবলীগি কাজের নতুন ভাইদের জন্য মুযাকারা

This entry is part 2 of 6 in the series দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ

আচ্ছালামুআলাইকুম ওয়াঃ

এই লেখাটি পর্ব আকারে প্রকাশ করা হবে।

কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ


তালিম

তালিম অর্থ শিখি শিখাই-তালিম হলো মসজিদে নববীর একটি বিশেষ আমল।

তালিমের ৩ টি জিনিষ

ক) উদ্দেশ্য, খ) তালিমের লাভ, গ) আদব

তালিমের উদ্দেশ্য

ফাযায়েলে কিতাবের বর্ণনা দ্বারা আল্লাহ তাঃ ওয়াদা ও ওয়াঈদ-এর একিন দিলে পয়দা করা।

তালিমের বিষয়বস্তু

১) কিতাবি তালিম ২) সূরা কেরাতের মশক ৩) ছয় নম্বরের মশক

নতুন আঙ্গিকে ছয় নম্বর ।

শোনার আদব

দিলের কানে শোনা, আমলের নিয়তে শোনা, অপর ভাইকে পৌঁছানোর নিয়তে শোনা।

আল্লাহ তাঃ নাম আসলে জাল্লা শানুহু বলা, নবীগনের নাম আসলে আলাইহিস সালাম বলা, আমাদের নবী সাঃ এর নাম আসলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলা, মহিলা সাহাবিগনের নাম আসলে রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু বলা, মহিলা সাহাবীগনের নাম আসলে রাদিআল্লাহু তায়’লা আনহা বলা, তিন বা ততোধিক নাম আসলে পুরুষের বেলায় আনহুম আর মেয়েদের বেলায় আনহুমা বলা, তাবেঈন/তাবে – তাবেঈনদের/ পীর বুজুর্গদের নাম আসলে রাহ মাতুল্লাহি আলাইয়ে বলা, আর জীবিত পীর বুজুর্গদের নাম আসলে দামার্ত বারাকাতুহু বলা, নবীগন ও ফেরেশতাদের নাম আসলে আলাইহিস সালাম বলা।

নিয়ামতের কথা আসলে সুবহানআল্লাহ বলা, আযাবের কথা আসলে আস্তাগফিরুল্লাহ বলা।

তালিমের লাভ

১) মুর্খতা, অজ্ঞতা , জেহালিয়াত দুর হয় ২) আমলের শক পয়দা হয়, ৩) আমলের সাথে এলেমের সর্ম্পক নাজিল হয়, ৪) খারাপ আমলের প্রতি ঘৃনা হয়, ৫) ছকিনা অবতীর্ন হয়, ৬) ওহীর বরকত পাওয়া যায়, ৭) ফেরেশতারা উক্ত স্থান বেষ্টন করিয়া থাকে, ৮) আল্লাহ পাক ফেরেশতাদের মজলিশে আলোচনা করেন।

তালিমের হুকুম

দ্বীনি এলেম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ, দুনিয়াবি এলেম শিক্ষা করা জায়েয।

তালিমে বসার আদব

ওযু করে নেয়া, সম্ভব হলে খুশবু লাগানো, গোলাকার হয়ে গায়ে গায়ে লেগে বসা, আত্তাহিয়াতুর সুরতে বসা, আমালের নিয়তে বসা, মোজাহাদার  সঙ্গে বসা, দিলকে খালী করে বসা, জরুরতকে দাবিয়ে বসা।

সারা বছরে মোট ৯ টি কিতাবের তালীম করা হয়

ফাজায়েলে কুরআন, ফাজায়েলে নামাজ, ফাজায়েলে তাবলীগ, ফাজায়েলে জিকির, ফাজায়েলে রমজান, হেকায়েতে সাহাবা, পুস্তিকা ওয়াহেদ এলাজ, ফাজায়েলে সাদাকাত, ফাজায়েলে হজ্জ্ব।


শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন এবং আপনিও ছোয়াবের অংশিদার হউন

মনতব্য করুন
Series Navigation<< মাশওয়ারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা। দাওয়াত ও তাবলীগি কাজের নতুন ভাইদের জন্যগাস্তের আদব বলার পদ্ধতি । >>

পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ।

Updated: July 5, 2017 — 2:30 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  • আসুন জানি ল্যাব
  • আসুন জানি ডেস্ক
  • আসুন জানি নীতিমালা
  • আসুন জানি যোগাযোগ
  • আসুন জানি বিজ্ঞাপন
  • আসুন জানি সম্পর্কে
  • আসুন জানি.Com || © 2014-2017 Theme Designe by Frontier